alfa fashion: Introduce of company: Buying House M/S. ALFA FASHION M/S. SEARCH FASHION M/S. JK FASHION Office Address: House # 2 (3 rd Floor), Road # 01, Lane # 04, ...
লেবেল
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১
alfa fashion: Introduce of company
লেবেলসমূহ:
Garments goods
সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০১১
মানবতার সেবায় আমরা ক'জন
আমরা যারা চট্টগ্রামে আছি (স্থানীয়/অস্থানীয়), বিভিন্ন emergency কারনেই রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। ব্লাড ব্যাংক গুলোতে খোঁজ করেও অনেক সময় পাওয়া যায়না। তাই ভাবলাম আমরা একটা ব্লাড ডোনার লিষ্ট করি, যখন এমন প্রয়োজন পরবে,আমাদের লিষ্ট এ সেই গ্রুপের ডোনার থাকলে তার সাথে রোগীর যোগাযোগ করিয়ে দিবো।
এই নোটটি রেগুলার আপডেট করা হবে। এখানে রক্তদাতার নাম, রক্তের গ্রুপ, ফোন নাম্বার, অবস্থান দেয়া থাকবে। যাদের প্রয়োজন পড়বে তারা চাইলে পেজ এডমিন দের সাথে যোগাযোগ করবেন অথবা এই নোটটি থেকে খুঁজে নিবেন। যারা নিজেদের ফোন নাম্বার এখানে দিতে চাইছেন না, তাদের কাছে পেজ এডমিনের পক্ষ হতে মেসেজ দেয়া হবে, সেখানে জানিয়ে দিলে আপনারা তালিকাভূক্ত হয়ে যাবেন...
PLEASE CLICK ON THIS LINKS -http://www.facebook.com/notes/%E0%A6%B9%E0%A7%83%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE/208349585901574
মানবতার সেবায় আমরা ক'জন
লেবেলসমূহ:
MEN AND HUMANITY
লোকেশন:
Medina Saudi Arabia
শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১১
গৃহহীন থেকে কোটিপতি

লন্ডনে রেস্তোরাঁ খুলে গৃহহীন থেকে কোটিপতি হয়েছেন হুসেইন ওজার
ছবি: রয়টার্স
গৃহহীন থেকে কোটিপতি
সুত্র : অনলাইন ডেস্ক ,প্রথম আলো ,
তুরস্কে ছন্নছাড়া জীবন ছিল হুসেইন ওজারের। মা-বাবার বিচ্ছেদের পর হয়ে পড়েন গৃহহীন। কিছুদিন ঠাঁই নিয়েছেন গণশৌচাগারে। সেখান থেকেই ছোটখাটো কাজ শুরু। একসময় ভাগ্য অন্বেষণে পাড়ি জমান লন্ডনে। কঠোর পরিশ্রমে তিনি আজ সফল একজন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী। কপর্দকহীন থেকে কোটিপতি।
কেবল লন্ডনেই ওজারের এখন ওজার ও সোফরা নামে চার-চারটি রেস্তোরাঁ। বিখ্যাত রেস্তোরাঁর তালিকা প্রস্তুতকারী মিশেলিন গাইডেও উঠেছে তাঁর নাম। সর্বশেষ সেরা উদ্যোক্তা হিসেবে এ বছরের ওয়ার্ল্ড ফুড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ওজার। ওজারের মুখেই শুনুন তাঁর সেই জীবনের সেই গল্প।
‘সবার অনাদরের পাত্র ছিলাম আমি। খুব ছোট থাকতেই মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। তাঁরা আবার বিয়ে করায় আমার যাওয়ার কোনো জায়গা থাকল না। তাই দাদা-দাদির কাছে কেটেছে আমার ছোটবেলাটা।’ বললেন ওজার।
এর পরের কয়েকটি বছর ওজার আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় খুঁজেছেন। কিন্তু ১১ বছর বয়সে একেবারেই গৃহহীন হয়ে পড়েন। তখন গণশৌচাগার ছাড়া আরও কোথাও আশ্রয় নেওয়ার জায়গা ছিল না তার। ওজার বললেন, ‘সেখানে থেকেই আমি ফেরি করে কিছু জিনিস বিক্রি করতাম। এতে সামান্য রুটি কিনতে পারলেও প্রায় সময়ই না খেয়ে থাকতাম। এরপর একটি পানশালায় কাজ নিই। সেখানে সিগারেটের ছাইদানি পরিষ্কার করা এবং তাদের জন্য খাবার এনে দেওয়াই ছিল আমার কাজ। এর বিনিময়ে তারা আমাকে খাবার দিত। তখন ভাবতাম আমি তো ধনী হয়ে গেছি। ওই কয়েকটি বছর ছিল আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ।’
এর পরের কয়েকটি বছর রেস্তোরাঁয় কাজ করেছেন ওজার। দিনে কাজ আর রাতে ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা করতেন। একপর্যায়ে নতুন জীবনের আশায় পাড়ি জমান যুক্তরাজ্যে। প্রথম দিকের কয়েক বছর একটি কাবাবের দোকানে কাজ করে কাটিয়েছেন। কিছু টাকা জমিয়ে সেখানে প্রথম একটি রেস্তোরাঁ চালু করেন। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। তিনি এখন কোটিপতি রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী।
জীবনের শুরুতে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হলেও অতীত নিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত নন ওজার। নতুন এ পুরস্কারকে তিনি তাঁর মায়ের নামে উত্সর্গ করেছেন। শ্রদ্ধাভরে মাকে স্মরণ করে ওজার বলেন, ‘আমার মনে হয়, স্বর্গবাসী মা সবকিছু দেখছেন এবং আমার জন্য তিনি গর্ববোধ করছেন।’
ওজার রেস্তোরাঁর রিজেন্ট স্ট্রিট শাখাটি দেখাশোনা করেন তাঁর সত্ভাই ডেভিড। তিনি বলেন, ‘তিনি (ওজার) খুবই কঠিন চরিত্রের একজন মানুষ। তিনি সব কিছুই নিখুঁত চান। খাবার হতে হবে ভালো। আর ক্রেতাকেও রাখতে হবে সন্তুষ্ট। অন্যথায় বিপদে পড়তে হয়।’ ডেভিড বললেন, ‘প্রতিটি খাবারের টেবিলে ওজারের মোবাইল ফোন নম্বর লেখা আছে। কোনো ক্রেতা খাবার কিংবা সেবায় অসন্তুষ্ট হলে তিনি সরাসরি ওজারকে ফোন করতে পারেন। আর এতে বিপদ নিশ্চিত।’ রয়টার্স।
কেবল লন্ডনেই ওজারের এখন ওজার ও সোফরা নামে চার-চারটি রেস্তোরাঁ। বিখ্যাত রেস্তোরাঁর তালিকা প্রস্তুতকারী মিশেলিন গাইডেও উঠেছে তাঁর নাম। সর্বশেষ সেরা উদ্যোক্তা হিসেবে এ বছরের ওয়ার্ল্ড ফুড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ওজার। ওজারের মুখেই শুনুন তাঁর সেই জীবনের সেই গল্প।
‘সবার অনাদরের পাত্র ছিলাম আমি। খুব ছোট থাকতেই মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। তাঁরা আবার বিয়ে করায় আমার যাওয়ার কোনো জায়গা থাকল না। তাই দাদা-দাদির কাছে কেটেছে আমার ছোটবেলাটা।’ বললেন ওজার।
এর পরের কয়েকটি বছর ওজার আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় খুঁজেছেন। কিন্তু ১১ বছর বয়সে একেবারেই গৃহহীন হয়ে পড়েন। তখন গণশৌচাগার ছাড়া আরও কোথাও আশ্রয় নেওয়ার জায়গা ছিল না তার। ওজার বললেন, ‘সেখানে থেকেই আমি ফেরি করে কিছু জিনিস বিক্রি করতাম। এতে সামান্য রুটি কিনতে পারলেও প্রায় সময়ই না খেয়ে থাকতাম। এরপর একটি পানশালায় কাজ নিই। সেখানে সিগারেটের ছাইদানি পরিষ্কার করা এবং তাদের জন্য খাবার এনে দেওয়াই ছিল আমার কাজ। এর বিনিময়ে তারা আমাকে খাবার দিত। তখন ভাবতাম আমি তো ধনী হয়ে গেছি। ওই কয়েকটি বছর ছিল আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ।’
এর পরের কয়েকটি বছর রেস্তোরাঁয় কাজ করেছেন ওজার। দিনে কাজ আর রাতে ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা করতেন। একপর্যায়ে নতুন জীবনের আশায় পাড়ি জমান যুক্তরাজ্যে। প্রথম দিকের কয়েক বছর একটি কাবাবের দোকানে কাজ করে কাটিয়েছেন। কিছু টাকা জমিয়ে সেখানে প্রথম একটি রেস্তোরাঁ চালু করেন। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। তিনি এখন কোটিপতি রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী।
জীবনের শুরুতে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হলেও অতীত নিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত নন ওজার। নতুন এ পুরস্কারকে তিনি তাঁর মায়ের নামে উত্সর্গ করেছেন। শ্রদ্ধাভরে মাকে স্মরণ করে ওজার বলেন, ‘আমার মনে হয়, স্বর্গবাসী মা সবকিছু দেখছেন এবং আমার জন্য তিনি গর্ববোধ করছেন।’
ওজার রেস্তোরাঁর রিজেন্ট স্ট্রিট শাখাটি দেখাশোনা করেন তাঁর সত্ভাই ডেভিড। তিনি বলেন, ‘তিনি (ওজার) খুবই কঠিন চরিত্রের একজন মানুষ। তিনি সব কিছুই নিখুঁত চান। খাবার হতে হবে ভালো। আর ক্রেতাকেও রাখতে হবে সন্তুষ্ট। অন্যথায় বিপদে পড়তে হয়।’ ডেভিড বললেন, ‘প্রতিটি খাবারের টেবিলে ওজারের মোবাইল ফোন নম্বর লেখা আছে। কোনো ক্রেতা খাবার কিংবা সেবায় অসন্তুষ্ট হলে তিনি সরাসরি ওজারকে ফোন করতে পারেন। আর এতে বিপদ নিশ্চিত।’ রয়টার্স।
লেবেলসমূহ:
Follow for Successful Life
লোকেশন:
Medina Saudi Arabia
মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১
ALL COLLECTED SUBJECTS FOR PUBLIC WELFARE: Best Affiliate Program
ALL COLLECTED SUBJECTS FOR PUBLIC WELFARE: Best Affiliate Program: http://www.instantplugnpay.com/?s=zakaria
Best Affiliate Program
![]() |
Hi Friend !
I Know you have probably heard the term:
"You Haven't seen anything like this before"
a thousand times, so rather than me say it to you, see
what other people are saying.
"This is THE no work for Mom site. It's Brilliant"
"It will make you money in spite of any lack of skills"
"Everybody should be able to make a lot of money here."
"I knew it was going to be good, but not even in my wildest
dream did I expect it to be what it is..."
"A top notch opportunity that anyone can set up"
"Even Anyone without any knowledge of websites, marketing,
etc Will make a monthly Income From This, all hands free!"
How and how much money waiting for you ? or how much money you can income from this site ?
Simply follow this action for your income :-
| Level | Free members referred who only sell 3 products per month | You Make |
| 1 | You refer 10 free members | $60 per month |
| 2 | Level 1 members refer 10 free members | $600 per month |
Total: | $660 per month |
| Level | Free members referred who only sell 3 products per month | You Make |
| 1 | You refer 10 free members | $60 per month |
| 2 | Level 1 members refer 10 free members | $600 per month |
| 3 | Level 2 members refer 10 free members | $6,000 per month |
Total: | $6,660 per month |
"I've never seen another "Turnkey Product Sales System" do
anything close to what Instant Plug N Pay can"
And the 5 star reviews just keep coming.
Okay, I have to say it... You Have NEVER seen anything like
this before!
Kind regards
Mohammed Zakaria Azizul Hoque
লেবেলসমূহ:
Make Money Online Help
লোকেশন:
Medina Saudi Arabia
রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১১
100%pure income help site: অনলাইনে আজীবন ১০০% নিশ্চিত আয় করুন!!!
100%pure income help site: অনলাইনে আজীবন ১০০% নিশ্চিত আয় করুন!!!: অনলাইনে আজীবন ১০০% নিশ্চিত আয় করুন!!! আমি বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে অনলাইনে আয়েরএকটা সত্যিকারের পথ খুঁজছিলাম।অনলাইনে আয়ের বিষয়ের ওপর যে যা...
100%pure income help site: প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ ডলার উপার্জন করার সহজ উপায়
100%pure income help site: প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ ডলার উপার্জন করার সহজ উপায়: Earn $5 Everyday প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ ডলার উপার্জন করার সহজ উপায় SIGNUP সহজে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করুন ঘরে বসেই অনলাইনে প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ ...
100%pure income help site: অনলাইন আয়ের সত্যতা ও বাস্তবতাঃ আয় করুন; তবে ভুয়...
100%pure income help site: অনলাইন আয়ের সত্যতা ও বাস্তবতাঃ আয় করুন; তবে ভুয়...: অনলাইন আর্নিং এখন আর অবাস্তব কিছু নয় এবং এর অনেক পথই খোলা আছে। তবে কিছু কিছু ভাই বুঝে হোক না বুঝে হোক আর সঠিক আরনিং সাইট না চিনেই হোক স্কা...
মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০১১
ALL COLLECTED SUBJECTS FOR PUBLIC WELFARE: গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার - কীর্তিমান সাদেক
ALL COLLECTED SUBJECTS FOR PUBLIC WELFARE: গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার - কীর্তিমান সাদেক: গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার কীর্তিমান সাদেক লেখক ঃ আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ , তারিখ: ১৭-০৮-২০১১ সুত্র ঃ - প্রথম আলো - পড়া...
ALL COLLECTED SUBJECTS FOR PUBLIC WELFARE: গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার - কীর্তিমান সাদেক
গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার - কীর্তিমান সাদেক
গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার
কীর্তিমান সাদেক
সুত্র ঃ - প্রথম আলো - পড়াশোনা ,২৩ - ০৮ - ২০১১
---------------------------------------------------------------------------------
রাজশাহীর সাদেক ইমাম
লন্ডন থেকে বয়ে আনলেন দেশের জন্য সম্মান
সাদেক ইমাম স্কুলে আসার সময় ব্যাগে ভরে নিয়ে আসতেন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি আর বিজ্ঞানের বই। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে বের করে পড়তেন বিজ্ঞানের বই, আর নাড়াচাড়া করতেন ওই সব যন্ত্রপাতি। এসব দেখে স্কুলের বন্ধুরা তাঁকে ‘বিজ্ঞানী’ বলে ডাকতে শুরু করে। সত্যি সত্যি স্কুলের বিজ্ঞান মেলায় সাদেক পুরস্কারও পেয়ে যান। রাজশাহী ল্যাবরেটরি স্কুলে পড়ার সময় তাঁর সহপাঠীরা হয়তো ভাবেনি এই সাদেক একদিন সত্যিই বিরাট কিছু করে ফেলবেন।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি তাঁকে
‘গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার’
পুরস্কারে ভূষিত করেছে।
বাংলাদেশের সাদেক ইমাম এবার পেয়েছেন সেই পুরস্কার।
গবেষণার কাজে লাগাতে হবে।
এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের পরবর্তী পাঁচ বছরের ব্যবসায়িক ও একাডেমিক সাফল্য, দলগত কাজ ও আন্তব্যক্তিক সাফল্য, কারিগরি জ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, বিপণন প্রসার ও দক্ষতায় সর্বাধিক সাফল্য লাভের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিবছর দুজনকে গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
সাদেক ইমামের বাড়ি রাজশাহী নগরের পদ্মা আবাসিক এলাকায়। তিনি অধ্যাপক আবদুস সোবহান ও অধ্যাপক শামসুন নাহারের সন্তান। তিনি ১৯৯৪ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। একান্ত লক্ষ্য ছিল কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করা। সে জন্য অন্য বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েও তিনি রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হননি। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকায় ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি নেন।
সাদেক ইমাম জানান, তাঁর লক্ষ্য ছিল, তিনি একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী হবেন এবং শিক্ষকতা করবেন।
এই স্বপ্ন নিয়ে সাদেক ২০০০ সালে ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রামে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি এই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং হেড অব আইসিটি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরই ফাঁকে তিনি ২০০৮ সালে যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ে এমএসসি করেন।
সাদেক জানান, মাস খানেক আগের কথা। তিনি দেশে ফেরার টিকিট সংগ্রহ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এমন সময় বেডফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটির একটি ই-মেইল বার্তা পেলেন, যাতে তাঁর জীবনের অভাবনীয় এক সাফল্যের সংবাদ রয়েছে। তিনি গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডের জন্য শর্ট লিস্টেড। অগত্যা দেশে ফেরার সময় এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিলেন। তারপর এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। দুরু দুরু বুকে গিয়ে হাজির হন বেডফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটির শতাব্দীপ্রাচীন পুটেরিজবারি কনফারেন্স সেন্টারে।
সাদেক বলেন, সন্ধ্যা সাতটায় প্রোভিসি কার্সটেন ম্যাপেল ঘোষণা করলেন,
সাদেক ইমাম জানান, তাঁর লক্ষ্য ছিল, তিনি একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী হবেন এবং শিক্ষকতা করবেন।
এই স্বপ্ন নিয়ে সাদেক ২০০০ সালে ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রামে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি এই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং হেড অব আইসিটি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরই ফাঁকে তিনি ২০০৮ সালে যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ে এমএসসি করেন।
সাদেক জানান, মাস খানেক আগের কথা। তিনি দেশে ফেরার টিকিট সংগ্রহ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এমন সময় বেডফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটির একটি ই-মেইল বার্তা পেলেন, যাতে তাঁর জীবনের অভাবনীয় এক সাফল্যের সংবাদ রয়েছে। তিনি গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডের জন্য শর্ট লিস্টেড। অগত্যা দেশে ফেরার সময় এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিলেন। তারপর এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। দুরু দুরু বুকে গিয়ে হাজির হন বেডফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটির শতাব্দীপ্রাচীন পুটেরিজবারি কনফারেন্স সেন্টারে।
সাদেক বলেন, সন্ধ্যা সাতটায় প্রোভিসি কার্সটেন ম্যাপেল ঘোষণা করলেন,
‘সাদেক ইমাম, বাংলাদেশ, গ্র্যাজুয়েট অব দ্য ইয়ার’।
দেশের নাম শুনে গর্বে বুকটা ফুলে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর লেস এবডন সিবিইর হাত থেকে পুরস্কারের
সাত হাজার ৫০০ পাউন্ড এবং সার্টিফিকেট অব অ্যাচিভমেন্ট
গ্রহণ করেন।
সাদেক বলেন, ‘মা-বাবা দুজনই রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের শিক্ষক হিসেবে অবসর নেন। তাঁদের একান্ত ইচ্ছা ছিল, আমি ম্যাজিস্ট্রেট হব, কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল শিক্ষকতা।’
সাদেক তা-ই করছেন।
সাদেক বলেন,
সাদেক বলেন, ‘মা-বাবা দুজনই রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের শিক্ষক হিসেবে অবসর নেন। তাঁদের একান্ত ইচ্ছা ছিল, আমি ম্যাজিস্ট্রেট হব, কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল শিক্ষকতা।’
সাদেক তা-ই করছেন।
সাদেক বলেন,
‘আমাদের স্বপ্ন দেখা শিখতে হবে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, দেশে উচ্চশিক্ষার বা গবেষণার সুযোগ খুবই কম। এ ক্ষেত্রে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কোনো বিকল্প নেই। আমি মনে করি,
যারা জ্ঞান-বিজ্ঞানে আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে,
তাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং জ্ঞান নতুন প্রজন্মের
জানতে হবে এবং নিজস্ব চিন্তাভাবনার বিকাশ
ঘটাতে হবে—তবেই আসবে সাফল্য।
আমার মনে হয়, আইটি সেক্টরে নতুন প্রজন্মের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের উচিত, রাজশাহী, চট্টগ্রামের মতো শহরকে সিলিকন ভ্যালি হিসেবে গড়ে তোলা এবং মাইক্রোসফটের মতো আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া।’
সাদেক ইমাম জানান, ১৫ কোটি মানুষের সব সমস্যার সমাধান রয়েছে ইনফরমেশন এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির সঠিক ব্যবহারের মধ্যে।
তিনি স্বপ্ন দেখেন দেশে একটি আইসিটি
ইউনিভার্সিটির, যা হবে গবেষণা এবং
আলোকিত মানুষ।
( ঈষৎ সংশোধিত )
===================================================================
লেবেলসমূহ:
Talented Face
লোকেশন:
Medina Saudi Arabia
রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০১১
নিজের চেষ্টায় তারা কোটিপতি
নিজের চেষ্টায় তারা কোটিপতি |
লিখেছেন - মোহাম্মদ আবুল হোসেন
সুত্র : মানবজমিন , শুক্রবার, ২৯ জুলাই ২০১১ ------------------------------------------ |
![]() ইয়ুসাকু মায়েজাওয়া ইয়ুসাকু মায়েজাওয়া তিনি একসময় সিডি বিক্রি করে বেড়াতেন। সাবেক এক রক সংগীতশিল্পী। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে তিনি অনলাইনে টি-শার্ট বিক্রি শুরু করেন। তখন ই-কমার্সে অধিক সফল প্রতিষ্ঠান জোজোটাউন (Zozotown) এর পাশাপাশি তিনি শুরু করেন একটি কোম্পানি। এর নাম দেন স্টার্ট টুডে। এই কোম্পানিটি স্থাপিত হয় ২০০৫ সালে। এর পরে প্রতি বছরে এর পরিধি দ্বিগুণ আকারে বাড়তে থাকে। এখন জোজোটাউনের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৩০ লাখের ওপরে। মায়েজাওয়ার বয়স এখন ৩৫। এরই মধ্যে বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও তার অর্থের পরিমাণ ফুলেফেঁপে উঠছে। ================================ ![]() মার্ক জুকারবার্গ মার্ক জুকারবার্গ তার বয়স মাত্র ২৬ বছর। এই বয়সেই তিনি ই-দুনিয়ায় গড়ে তুলেছেন এক সাম্রাজ্য। তিনি হার্ভার্ডের ছাত্র। এক সময় তিনি বানিয়ে ফেলেছিলেন ক্ষুদ্র পরিসরে একটি ওয়েবসাইট। তার নাম দিয়েছিলেন ফেসবুক। এ নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। তবে এর সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটটি নির্মাণের পিছনে জুকারবার্গের যে কঠোর শ্রম ও মস্তিষ্কের শক্তি প্রয়োজন হয়েছিল তা ততক্ষণে অনেকেই জানেন না। ধীরে ধীরে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেছেন। তার ফেসবুক এখন সারা বিশ্বের ছোট্ট শিশু পর্যন্ত ব্যবহার করে। তিনি এরই মধ্যে ১৩৮০ কোটি ডলারের মালিক হয়ে গেছেন। এই বিশাল আয় থেকে তিনি মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দান করেন। সমপ্রতি তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তার জীবদ্দশায় অথবা মৃত্যুর আগে অর্জিত সম্পদের অর্ধেক বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দান করে যাবেন। ================================ ![]() ইয়োশিকাজু তানাকা ইয়োশিকাজু তানাকা তার বয়স মাত্র ৩৪। তিনি মার্ক জুকারবার্গকে দেখে সামাজিক ওয়েবসাইট গড়েছেন। এর নাম গ্রি (Gree)। এরই মধ্যে এই ওয়েবসাইটটি জাপান মাত করে দিয়েছে। আর এর ফলে ৩৪ বছর বয়সী তানাকার অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ডলার। তিনি এখানেই থামতে চান না। তিনি সাইটটির বিস্তার ঘটিয়ে দিতে চান সারাবিশ্বে। এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন গ্রি’র একটি নতুন অফিস খুলবেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। এখানে উল্লেখ্য, গ্রি এক ধরনের খেলার প্রকাশ থেকে এসেছে। ================================ ![]() ডাস্টিন মোস্কোভিট্জ ডাস্টিন মোস্কোভিট্জ তিনি ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গের চেয়ে মাত্র ৮ দিনের ছোট। তারও বয়স ২৬ বছর। তিনি জুকারবার্গের হার্ভার্ডের রুমমেট ছিলেন। ফেসবুকের তিন নম্বর চাকরিজীবী ছিলেন তিনি। ফেসবুকের প্রথম চিফ টেকনোলজি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ভাইস প্রেসিডেন্ট অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন। এরই মধ্যে তিনি ২৭০ কোটি ডলারের মালিক হয়ে গেছেন। ২০০৮ সালে তিনি ফেসবুক ছাড়েন। এরপর নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন। এর নাম দেয়া হয়েছে আসানা (Asana)। ================================ ![]() ওলেগ বাখমাতইয়ুক ওলেগ বাখমাতইয়ুক তার বয়স ৩৫ বছর। তিনি ইউক্রেনে সবচেয়ে বেশি মুরগির ডিম উৎপাদন করেন এবং তা রপ্তানি করেন। তিনি আভাঙ্গার্ড-এর বেশির ভাগের মালিক। এর আগে তিনি দেশের গ্যাস ও তেল ইন্ডাস্ট্রিজে কাজ করতেন। সেখান থেকে তিনি নিজেই ফিরে গিয়ে ডিম উৎপাদনে লেগে যান। এক পর্যায়ে তিনি ভাবলেন, এই ডিম বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও ছড়িয়ে দিতে হবে। সেখান থেকেই তার ভাগ্য খুলে যায়। =============================== ![]() সার্গেই ব্রিন সার্গেই ব্রিন ৩৮ বছর বয়সী এই তরুণের নাম আমরা অনেকে না-ও জানতে পারি। কিন্তু তার বানানো ওয়েবসাইট আজ আমরা ব্যবহার করছি। তিনি রাশিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন কম্পিউটার সায়েন্টিস্ট এবং ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। বলা হয়, এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ইন্টারনেট কোম্পানি। এ বছরের হিসাব অনুযায়ী তার ব্যক্তিগত অর্থের পরিমাণ ১৯৮০ কোটি ডলার। ================================ ![]() সিয়াওফেং পেং সিয়াওফেং পেং তিনি ৩৬ বছর বয়সী যুবক। সূর্যরশ্মিকে ব্যবহার করে অর্থের খনি বানিয়েছেন। তিনি এলডিকে সোলার কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী অফিসার। ২০০৫ সালের জুলাইয়ে তিনি এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। তা বিকশিত হয় ২০০৭ সালে। এখনও এই কোম্পানির অর্থের পরিমাণ ১৮০ কোটি ডলার। তার মধ্যে পেং-এর নিজের অর্থের পরিমাণ ১৫০ কোটি ডলার। |
| ============================== |
লেবেলসমূহ:
Follow for Successful Life
লোকেশন:
Medina Saudi Arabia
আরেফিনের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান

আরেফিনের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান
[ সুত্র : মানবজমিন,
রবিবার, ৩১ জুলাই ২০১১ ]
--------------------------------
( সংক্ষেপিত )
প্রবল ইচ্ছা শক্তি, অধ্যবসায়ের জোরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান আবিষ্কার করেছেন শামছুল আরেফিন চৌধুরী (৩২) নামে কিশোরগঞ্জের এক যুবক। তাঁর আবিষ্কৃত ফ্যানের ব্যবহার বাজারে প্রচলিত অন্যান্য ফ্যানের তুলনায় ৭৫ ভাগ বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।
আরেফিন জানান, বাজারে প্রচলিত ফ্যান ৮০ থেকে ১০০ ওয়াটের হয়ে থাকে। তাঁর আবিষ্কৃত ফ্যানের ক্ষমতা ১৬ থেকে ১৮ ওয়াট। এটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি এমনকি সৌর বিদ্যুতেও চালানো যায়। এ ফ্যান আইপিএস বা ইউপিএস ছাড়াও চলবে। বাজারের প্রচলিত ৮০ বা ১০০ ওয়াটের ফ্যানকেই তিনি ১৬ বা ১৮ ওয়াটে রূপান্তরিত করে ব্যবহার করছেন। যা থেকে একই পরিমাণ সার্ভিস পাওয়া যাবে বলে তাঁর দাবি। মাত্র পাঁচ মাসের পরিশ্রম ও গবেষণায় আরেফিন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যানটি আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানান।
বাজারে প্রচলিত ফ্যান নিয়ে প্রায় পাঁচ মাস নিবিড়ভাবে গবেষণা করে তিনি সফলতা পান। তাঁর আবিষ্কৃত ফ্যানের ব্যবহার দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণে অনেকটা সহায়ক হবে বলে তিনি জানান। এছাড়াও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বাল্বের ব্যবহারিক মেয়াদ বৃদ্ধির কৌশলও তিনি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে এর ব্যবহারিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ১ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫ বছর বা এরও অধিক মেয়াদে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন। ফ্যান ও বাল্বের সফলতার পর বর্তমানে তিনি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সেচ পাম্প তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু আর্থিক সঙ্গতির অভাবে গবেষণার কাজ এগিয়ে নিতে পারছেন না।
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ধলা গ্রামের মো. আলী আযম চৌধুরীর ছেলে শামছুল আরেফিন চৌধুরী । বর্তমানে তিনি কিশোরগঞ্জ শহরের জামিয়া রোডে বসবাস করছেন।
তাঁর পিতা আলী আযম চৌধুরী জানান, বিদ্যুৎ নিয়ে ছেলে শামছুল আরেফিনের গবেষণার কাজে তিনি উৎসাহ যুগিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু পরিবারের অর্থনৈতিক অনটনের কারণে তার গবেষণার কাজে গতি আসছে না বলে তিনি জানান। এ অবস্থায় তিনি সরকারি সহায়তা কামনা করে বলেন, তাঁর ছেলের আবিষ্কৃত ফ্যান ও বাল্ব বাজারজাত করা গেলে দেশের বিদ্যুৎ সমস্যার কিছুটা হলেও সমাধান হবে বলে তাঁর বিশ্বাস।
| ============================== |
লেবেলসমূহ:
Discovery Of Bangladeshi Scientist
লোকেশন:
Medina Saudi Arabia
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)













