
আরেফিনের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান
[ সুত্র : মানবজমিন,
রবিবার, ৩১ জুলাই ২০১১ ]
--------------------------------
( সংক্ষেপিত )
প্রবল ইচ্ছা শক্তি, অধ্যবসায়ের জোরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান আবিষ্কার করেছেন শামছুল আরেফিন চৌধুরী (৩২) নামে কিশোরগঞ্জের এক যুবক। তাঁর আবিষ্কৃত ফ্যানের ব্যবহার বাজারে প্রচলিত অন্যান্য ফ্যানের তুলনায় ৭৫ ভাগ বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।
আরেফিন জানান, বাজারে প্রচলিত ফ্যান ৮০ থেকে ১০০ ওয়াটের হয়ে থাকে। তাঁর আবিষ্কৃত ফ্যানের ক্ষমতা ১৬ থেকে ১৮ ওয়াট। এটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি এমনকি সৌর বিদ্যুতেও চালানো যায়। এ ফ্যান আইপিএস বা ইউপিএস ছাড়াও চলবে। বাজারের প্রচলিত ৮০ বা ১০০ ওয়াটের ফ্যানকেই তিনি ১৬ বা ১৮ ওয়াটে রূপান্তরিত করে ব্যবহার করছেন। যা থেকে একই পরিমাণ সার্ভিস পাওয়া যাবে বলে তাঁর দাবি। মাত্র পাঁচ মাসের পরিশ্রম ও গবেষণায় আরেফিন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যানটি আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানান।
বাজারে প্রচলিত ফ্যান নিয়ে প্রায় পাঁচ মাস নিবিড়ভাবে গবেষণা করে তিনি সফলতা পান। তাঁর আবিষ্কৃত ফ্যানের ব্যবহার দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণে অনেকটা সহায়ক হবে বলে তিনি জানান। এছাড়াও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বাল্বের ব্যবহারিক মেয়াদ বৃদ্ধির কৌশলও তিনি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে এর ব্যবহারিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ১ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫ বছর বা এরও অধিক মেয়াদে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন। ফ্যান ও বাল্বের সফলতার পর বর্তমানে তিনি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সেচ পাম্প তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু আর্থিক সঙ্গতির অভাবে গবেষণার কাজ এগিয়ে নিতে পারছেন না।
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ধলা গ্রামের মো. আলী আযম চৌধুরীর ছেলে শামছুল আরেফিন চৌধুরী । বর্তমানে তিনি কিশোরগঞ্জ শহরের জামিয়া রোডে বসবাস করছেন।
তাঁর পিতা আলী আযম চৌধুরী জানান, বিদ্যুৎ নিয়ে ছেলে শামছুল আরেফিনের গবেষণার কাজে তিনি উৎসাহ যুগিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু পরিবারের অর্থনৈতিক অনটনের কারণে তার গবেষণার কাজে গতি আসছে না বলে তিনি জানান। এ অবস্থায় তিনি সরকারি সহায়তা কামনা করে বলেন, তাঁর ছেলের আবিষ্কৃত ফ্যান ও বাল্ব বাজারজাত করা গেলে দেশের বিদ্যুৎ সমস্যার কিছুটা হলেও সমাধান হবে বলে তাঁর বিশ্বাস।
| ============================== |





কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন